Listen
রহস্যময় জমিদার বাড়ি
By Rimon Islam Raj
Page 1/10
রাতুল, একজন সাহসী সাংবাদিক, তার সহকারী তিশাকে নিয়ে রওনা দিলেন এক রহস্যময় জমিদার বাড়ির উদ্দেশ্যে। শোনা যায়, সেই বাড়িতে নাকি এক অতৃপ্ত আত্মা ঘুরে বেড়ায়। তাদের লক্ষ্য ছিল সেই রহস্যের জট খোলা।
Page 2/10
জমিদার বাড়ির গেট ছিল বিশাল এবং মরচে ধরা। লতাপাতায় ঢাকা প্রাচীর আর ভাঙাচোরা জানালাগুলো যেন এক প্রাচীন গল্পের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। তিশা একটু ইতস্তত করলেও রাতুলের চোখে ছিল অদম্য কৌতূহল।
Page 3/10
বাড়ির ভেতরে ঢুকতেই ঠাণ্ডা একটা বাতাস তাদের শরীর ছুঁয়ে গেল। ধুলো আর মাকড়সার জালে ঢাকা বিশাল হলঘর। পুরনো আসবাবপত্রগুলো যেন দীর্ঘদিনের নীরবতার সাক্ষী। হঠাৎ, উপরতলা থেকে একটা মৃদু শব্দ ভেসে এল।
Page 4/10
রাতুল টর্চ জ্বেলে শব্দ অনুসরণ করে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে শুরু করল। তিশা তার পাশেই ছিল, সতর্ক চোখে চারপাশ দেখছিল। পুরনো কাঠের সিঁড়িগুলো তাদের পায়ের ভারে কিচকিচ করে উঠল।
Page 5/10
তারা একটি বন্ধ ঘরের সামনে এসে দাঁড়াল। দরজাটা সামান্য খোলা ছিল এবং ভেতর থেকে একটা ফিসফিস শব্দ আসছিল। রাতুল সাবধানে দরজাটা ঠেলতেই একটি পুরনো ডায়েরি মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখল।
Page 6/10
তিশা ডায়েরিটা তুলে নিল। তার পাতাগুলো ছিল হলুদ হয়ে যাওয়া। ডায়েরিতে জমিদার বাড়ির এক তরুণী, নাম "মৃন্ময়ী", তার দুঃখের কথা লিখেছিলেন। তিনি তার ভালোবাসার মানুষকে হারিয়েছিলেন এবং এরপর থেকেই তার জীবন বিষাদে ভরে গিয়েছিল।
Page 7/10
ডায়েরি পড়তে পড়তে তারা জানতে পারল, মৃন্ময়ী তার ভালোবাসার মানুষের দেওয়া একটি লকেটকে খুব যত্ন করে রাখতেন। সেই লকেটটি তার মৃত্যুর পর থেকে নিখোঁজ। সম্ভবত সেই লকেটটিই তার অতৃপ্তির কারণ।
Page 8/10
তারা লকেটটি খুঁজতে শুরু করল। প্রতিটি কোণ, প্রতিটি আলমারি তন্ন তন্ন করে খোঁজা হলো। হঠাৎ, তিশা একটি পুরনো সিন্দুকের নিচে কিছু একটা চকচক করতে দেখল।
Page 9/10
হ্যাঁ, এটাই ছিল মৃন্ময়ীর লকেট! তিশা লকেটটি তুলে রাতুলের হাতে দিল। লকেটটি হাতে নিতেই ঘরের মধ্যে একটা অদ্ভুত শান্তি ছড়িয়ে পড়ল। যেন মৃন্ময়ীর আত্মা অবশেষে শান্তি খুঁজে পেল।
Page 10/10
রাতুল আর তিশা জমিদার বাড়ি থেকে বেরিয়ে এল। তাদের মিশন সফল। রহস্যের জট খুলেছে, আর মৃন্ময়ীর আত্মা পেয়েছে চিরশান্তি। তারা জানত, এই গল্পটা তাদের মনে চিরদিন অমলিন থাকবে।
Start again

0 Comments:
Post a Comment
Subscribe to Post Comments [Atom]
<< Home